সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo সিরাজগঞ্জে  বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক নারীর মৃত্যু Logo খুলনার কয়রায় সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীলদের মাঝে ছাতা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ। Logo চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ব্যাক্তিগত টাকা দিয়ে জনগনের ট্যাক্স পরিশোধ করে দেওয়ার ওয়াদা  Logo নাটোরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য উস্কানিদেয় শরিফুল ইসলাম রমজান। Logo নাটোর বাগাতিপাড়ায় নাইট ক্রিকেট খেলার আয়োজন করা হয়। Logo সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে দেবর ভাবি কে শিকলে বেধে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ১! Logo তাড়াশে পুঁজা মন্ডবে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ করেছেন বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা মোসলেম উদ্দিন   Logo ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন “দৈনিক বাংলার আলো ২৪” বার্তা সম্পাদক”কাজল” Logo দিনাজপুর বিরামপুরে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মটরসাইকেল চালক নিহত?

হবিগঞ্জে গৃহবধূর ফোন, আমাকে উদ্ধার করেন! ওরা আমাকে মেরে ফেলবে! ১ ঘণ্টা পরেই এল মৃত্যুর সংবাদ।

মীর দুলাল হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ / ৭৮ বার পঠিত
আপডেট : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ

নিজের জীবনের নিরাপত্তা  চেয়ে  পরিবারের কাছে ফোন করেছিলেন গৃহবধূ মাহমুদা আক্তার (২৫)।
 কথা বলতে বলতেই মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
 এর ঘণ্টাখানেক পরে পরিবারের কাছে সংবাদ এলো   তিনি আর বেঁচে নেই।
হবিগঞ্জ শহরের অনন্তপুর আবাসিক এলাকার শ্বশুরবাড়িতে মাহমুদার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
 পুলিশ গতকাল শুক্রবার বিকেলে তাঁর লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।
মাহমুদা তিন দিন আগে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেন।
 তিন বছর বয়সী তাঁর আরেক পুত্রসন্তান রয়েছে।
 ঘটনার পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা গ্রামের আবুল বাছির মিয়ার মেয়ে মাহমুদা আক্তার।
 চার বছর আগে হবিগঞ্জ শহরের অনন্তপুর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মাকসুদ মিয়ার (৩০) সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকে যৌতুক নিয়ে মাহমুদাকে নির্যাতন করতেন স্বামীসহ তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
 যে কারণে সম্প্রতি বাবার বাড়িতে চলে যান মাহমুদা। 
পরে সালিস বৈঠক করে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন।
এদিকে পুনরায় মাহমুদার সংসারে এলেও আগের মতোই নির্যাতন চলে তাঁর ওপর। নিজের জীবনের শঙ্কা প্রকাশ করে  মাহমুদা তাঁর ভাই ফয়সল মিয়াকে ফোন করেন।
 ভাই-বোনের কথা বলা অবস্থায় হঠাৎ মাহমুদা চিৎকার করে ফোন ছেড়ে দেন। 
পরে ফয়সল পুনরায় বোনকে ফোন দিলে তা বন্ধ পান। 
এ নিয়ে পুরো পরিবারে আতঙ্ক তৈরি হয়। এর ঘণ্টাখানেক পরেই এক আত্মীয় মুঠোফোনে জানান, মাহমুদা আর বেঁচে নেই।
 তিনি শ্বশুরবাড়িতে মারা গেছেন।
খবর পেয়ে রাতেই মাহমুদার বাবাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে আসেন হবিগঞ্জ শহরে মাহমুদার শ্বশুরবাড়িতে।
 এখানে এসে জানতে পারেন, তাঁর লাশ হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে। 
সেখানকার চিকিৎসকেরা জানান, তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
নিহতের ভাই ফয়সল মিয়া দাবি করেন, তাঁর বোন তাঁকে মুঠোফোনে জানান, শ্বশুরবাড়ির লোকজন মাহমুদাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করছেন। 
তিনি তাঁর জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন ভাইয়ের কাছে। 
তাঁর সঙ্গে কথা বলা অবস্থায় হঠাৎ চিৎকার করেন মাহমুদা। সঙ্গে সঙ্গে সংযোগ কেটে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Theme Park BD