সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo সিরাজগঞ্জে  বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক নারীর মৃত্যু Logo খুলনার কয়রায় সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীলদের মাঝে ছাতা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ। Logo চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ব্যাক্তিগত টাকা দিয়ে জনগনের ট্যাক্স পরিশোধ করে দেওয়ার ওয়াদা  Logo নাটোরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য উস্কানিদেয় শরিফুল ইসলাম রমজান। Logo নাটোর বাগাতিপাড়ায় নাইট ক্রিকেট খেলার আয়োজন করা হয়। Logo সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে দেবর ভাবি কে শিকলে বেধে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ১! Logo তাড়াশে পুঁজা মন্ডবে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ করেছেন বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা মোসলেম উদ্দিন   Logo ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন “দৈনিক বাংলার আলো ২৪” বার্তা সম্পাদক”কাজল” Logo দিনাজপুর বিরামপুরে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মটরসাইকেল চালক নিহত?

হবিগঞ্জের সদর উপজেলার রতনপুরের নারী অপহরন” ১১ বছর পর নারায়ণগঞ্জ থেকে  উদ্বার! 

মীর দুলাল হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ / ৭৩ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
জহুরা খাতুন শিমু।

হবিগঞ্জে এক নারীকে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১১ বছর ধরে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন চার ব্যক্তি। 
জেল হজত খাটতে হয়েছে তিনজনকে,১১ বছর পর জানা গেল মামলাটি মিথ্যা,অপহরণ নয়; আত্মগোপনে ছিলেন ওই নারী।
জহুরা খাতুন শিমু নামে ওই নারীকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে হবিগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
 মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর)২১ ইং শিমুকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
 শিমু সদর উপজেলার রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, শিমুকে অপহরণ করা হয়েছে বলে ২০১২ সালের ১১ নভেম্বর একটি মামলা দায়ের করেন তার মা আমেনা খাতুন।
রতনপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ, সুরাব আলী, আব্বাস মিয়া ও হারুন মিয়াকে এ মামলায় আসামি করা হয়।
 এরপর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। 
পরে অবশ্য চারজনই উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। 
কিন্তু নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন তারা।
এরপর হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে আদালত ওই নারীকে উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। এরপর শিমুর সন্ধানে নামে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে শিমুকে গ্রেফতার করেন থানাটির উপ পরিদর্শক (এসআই) সনক কান্তি দাশ।
এসআই সনক বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিমু জানিয়েছেন, তাকে কেউ অপহরণ করেননি। পরিবারের পরামর্শে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য তিনি সিদ্ধিরগঞ্জে ১১ বছর আত্মগোপনে ছিলেন। 
তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের একটি কাপড়ের কারখানায় চাকরি করতেন। 
নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ হতো। বাড়িতে টাকাও পাঠাতেন। শিমু আরও জানান যে প্রতিপক্ষ দুই পরিবারে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল।
 দুই পক্ষই এর আগে পাল্টাপাল্টি মামলা করেছিল।
তিনি আরও জানান, মামলাটি মিথ্যা উল্লেখ করে আদালতে দুইবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ।
 কিন্তু বাদীপক্ষের নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
 অবশেষে জানা গেল মামলাটি মিথ্যা। অপরাধ না করেই ভুক্তভোগী হয়েছেন চার আসামি!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Theme Park BD