মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

ছয় সন্তানের মাকে ভাগিয়ে বিয়ে, দেড় বছর পর বৃদ্ধাশ্রমে হত্যা

 টাঙ্গাইল দেলদুয়ার প্রতিনিধিঃ / ২৮ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১, ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
ভানু বেগমের লাশ

 টাঙ্গাইল দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের কসবা আটিয়া গ্রামের আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ তুলেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার এ ঘটনায় স্বামী মো. আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা করা হয়েছে।প্রধান আফাজ উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের এলাসিন গ্রামের রজব আলীর ছেলে।

জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে মোঃ বানিছ মিয়ার স্ত্রী ছয় সন্তানের মা ৫৫ বছরের ভানু বেগমকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন আসামি আফাজ উদ্দিন। পরে স্বামী-স্ত্রী আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে কেয়ারটেকারের কাজ জুটিয়ে নেন।

পালিয়ে আসার সময় ভানু বেগমের প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো মোটা অংকের টাকা ও মেয়েদের স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে আসেন বলে অভিযোগ করা আছে। এ ঘটনার ১৫ দিন পর ভানুর প্রথম স্বামী মো. বানিছ মিয়া লজ্জায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভানুর বড় ছেলে প্রবাসি শরিফ মিয়া জানান, রাতে আফাজ তার মাকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করেছেন। এরপর লাশ বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে ফেলে পালিয়ে যায় আফাজ। শুক্রবার সকালে লাশটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা। পরে লাশ উদ্ধার করে দেলদুয়ার থানায় নেয় কর্মরত পুলিশ।

দেলদুয়ার থানার ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ভানুর বড় মেয়ের জামাই আল আমিন হোসেন মর্গের রিপোর্ট আসলেই সত্যটা জানা যাবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Theme Park BD