শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo পদ্মা সেতুর দুই থানা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক বাংলার আলো Logo বন্যায় দেশে ৩৬ জনের মৃত্যু-দৈনিক বাংলার আলো Logo সিরাজগঞ্জে আহার করতে গিয়ে প্রাণ হারালো সাত ফুট লম্বা এক বিষেধর সাপ Logo এবার করণায় আক্রান্ত সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী-দৈনিক বাংলার আলো Logo পাবনায় গৃহবধূর আত্মহত্যা – দৈনিক বাংলার আলো Logo তাড়াশে সাংবাদিক মজিবুর রহমানকে পিস্তল ঠেকিয়ে অপহরণ করে হত্যার চেষ্টা! Logo অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ Logo বাংলাদেশে তেল বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী Logo যমুনায় বিলীন হলো পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি Logo জামালপুরে জেলা ও শহর যুবদলের দোয়া-মিলাদ মাহফিল

সিরাজগঞ্জে তাড়াশে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে এতিমখানার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সেলিম রেজা ষ্টাফ রিপোর্টারঃ / ৮৩৩ বার পঠিত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
এতিমখানার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাদ্রাসা পড়য়া ছাত্রদের জীবিত অভিভাবকদের মৃত. দেখিয়ে এতিমদের ভুয়া তালিকা তৈরি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দোবিলা ইসলামপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা ও মসজিদ সংলগ্ন এতিমখানার পরিচালক ও মাদ্রাসার সুপার মো. আবু বক্কার সিদ্দিকের বিরুদ্ধে।
এতিমখানাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এতিমদের খাবার এবং পোশাক বাবদ আসা লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ ভুয়া তালিকায় ছাত্রদের জীবিত অভিভাবকদের।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার দোবিলা ইসলামপুর সিনিয়র আলিম মাদরাসার পাশে মসজিদ সংলগ্ন ১৯৯৬ সালে এতিম খানাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর ২০০৪ সাল থেকে সরকারি অনুদান পাওয়া শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু ২০০৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সরকারি অনুদানের টাকার কোনো হিসাব দিতে পারেনি এতিমখানা কর্তৃপক্ষ,
স্থানীয় আয়নাল হোসেন, ইউসুফ আলী, ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক, ফরহাদ আলী ও আক্তার হোসেন অভিযোগ করেন, এতিমখানায় একটি সাইনবোর্ড ছাড়া এখন আর কোনো কার্যক্রম নেই। এতিমখানার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সাধারণ মানুষের দান ও সরকারি অনুদানের দেয়া এতিমদের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে করছেন মাদ্রাসার সুপার আবুবক্কার সিদ্দিক। বিভাগীয় পরিদর্শন কিংবা প্রশাসনের তদারকিকালে বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকজন শিশুকে উপস্থিত করে তাদের ছবি তুলে রাখা হয়।
দেবিপুর গ্রামের আব্দুস সালাম জানান, আমার ছেলে মো. খাদেমুল ইসলাম দোবিলা ইসলামপুর মাদ্রাসায় ২০০৬ সালে ৬ষ্ট শ্রেনীতে পড়ার সময়ে সুপার আমাকে মৃত দেখিয়ে আমার ছেলেকে এতিম শিশু হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। পরে সরকারী-বেসরকারী বরাদ্দকৃত টাকা তুলে সে আত্মসাৎ করে।
চকজয় কৃঞ্চপুর গ্রামের মো. জাবেদ আলী,দেবিপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল কুদ্দুস ও আমির উদ্দিন জানান, বুঝলাম না আমরা এখন জীবিত মানুষ নাকি মৃত মানুষ। কারন আমাদের ছেলেদের মাদ্রাসায় পড়তে দিলাম। আমাদের অভিভাবকরা জীবিত থাকা সত্বেও এতিমখানার সুপার ও সভাপতি কাগজে কলমে আমাদেরকে মৃত দেখিয়ে ছেলেদের অনাথ ও এতিম তালিকাভুক্ত করে সরকারী অনুদান আত্মসাৎ করছে।
দাবিলা ইসলামপুর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সুপার ও এতিমখানার পরিচালক মো. আবু বক্কার সিদ্দিক এবিষয়ে কোন প্রতিবেদন না ছাপানোর অনুরোধ করে বলেন, লেখালেখি করলে আমার সুনাম ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হবে,
তাড়াশ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. কে.এম মনিরুজ্জামান বলেন, আমি যোগদানের পর ওই এতিমখানা কোন অনুদান পাননি। এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়েছি। সরজমিনে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By BD It Host
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: