মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo আগামীকালের মধ্যে ডা. মুরাদ হাসানকে মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ- প্রধানমন্ত্রী Logo দিনাজপুর বিরামপুর ৬ ডিসেম্বর মুক্ত দিবস পালিত Logo জামালপুরের পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদকে প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান Logo খুলনার কয়রায় গাতির ঘেরীয় বেড়ীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত ২ গ্রাম! Logo সিরাজগঞ্জে অধ্যক্ষের বাস ভবনের গেট সংলগ্নে ২টি ককটেল বোমা উদ্ধার Logo নাটোরে সম্পা সরকার নিখোঁজ! Logo নাটোর দিঘাপতিয়ায় মানসিক প্রতিবন্ধীকে ছুরির আঘাত! Logo কক্সবাজার হোটেল থেকে সিরাজগঞ্জের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ Logo তাড়াশে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় অফিস ভাঙচুর জুতা মারলেন ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সভাপতির ছবিতে! Logo জামালপুরে সাংবাদিকদের পিটিয়ে চামড়া তুলে ফেলার হুমকী-মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

“বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দিয়ে বিশ্বমানবতার ঔষধ বানিয়েছেন” অপেক্ষা শুধু প্রধানমন্ত্রীর!!

সম্পাদকীয়ঃ / ১১৮ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২১, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ

 

ছোটবেলা থেকে স্বদেশপ্রেমে মগ্ন এক যুবক, প্রিয় দেশকে নিয়ে ভাবনাটাও তার ভিন্ন রকম। তাইতো জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে নিজের অব্যক্ত কথাগুলো সাক্ষাৎ করে বলার জন্য আজ থেকে পাঁচ বছর আগে গণভবনের উদ্দেশ্য রওয়ানা করেন সেই তরুণ।

কিন্তু ৮৯ বার সাক্ষাৎ এর চেষ্টা করেও সফল হননি তরুণ এই দেশপ্রেমিক। এদিকে বিগত বছরগুলোতে নিজের আত্বীয় স্বজন মারা গেলেও শেষ দেখা দেখতে বাড়ি যাননি কখনো।সর্বশেষ নিজের স্ত্রী ছেড়ে চলে গেছেন তাকে, আবার এক অনাথ সন্তান রয়েছে তাঁর বাড়ি ফেরার অপেক্ষায়, তবুও স্বপ্ন পথে হাঁটছেন এই যুবক,বর্তমানে দিন-রাত কাটাচ্ছেন নিদারুণ বাস্তবতায়।

বলছি এক অন্যরকম দেশপ্রেমিকের কথা,নাম তার শ্রী সুজন বিশ্বাস, জন্ম ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানায় অর্ন্তগত জয়নগর গ্রামে। পিতা মহন বিশ্বাস ও মাতা সারথী রানী।

শ্রী সুজন বিশ্বাসের জন্ম ০৪ ফেব্রয়ারী ১৯৯৬ইং সালে। তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ। গ্রামের পাঠশালায় আরও দশটা ছেলে মেয়ের মধ্যে শ্রী সুজন বিশ্বাস এর ছেলেবেলা ছিলো কিছুটা ব্যতিক্রমী। তিনি ছেলেবেলা থেকেই ছিলেন শিক্ষা অনুরাগী।লেখাপড়ার পাশাপাশি কবিতা, গান, ছড়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সুখ দুঃখ তুলে ধরতেন। ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেমের প্রতি অতিউৎসাহী ব্যক্তি ছিলেন এই যুবক।

শিক্ষা জীবনে প্রথম সারির একজন ছাত্র ছিলেন সুজন বিশ্বাস। ক্রীড়াঙ্গনে ও সাংস্কৃতি অঙ্গনে ছিলো ব্যাপক পদচারনা। তারই ধারাবাহিকতায় জাতির স্বদেশপ্রেমে জাগরণ ও গরীব দুঃখীর কিছু দুঃখের কথা বলার অভিলাশ নিয়ে ২রা আগষ্ট ২০১৭ইং সালে যাত্রা করেছিলেন প্রধান মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের জন্য। যা ছিল একটা ভিন্ন যাত্রা।

যাত্রার বাহন হিসেবে ছিল একটি বাইসাইকেল, মাথায় ছিল একটি নৌকার প্রতীকী , গায়ে লাল সবুজের পতাকা আর মনে ছিল দেশপ্রেমে জাতিকে জাগানোর আশা। তিনি আরো বলেন বর্তমানে দেশের মানুষের মাঝে দেশপ্রেম নেই । তার ভাবনায় বঙ্গবন্ধু ভাষণ সঠিক প্রয়োগ করে জাতিকে স্বদেশপ্রেমে জাগরণ ঘটানো সম্ভব । তার কাছে বাঙালী জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ । যার সঠিক প্রয়োগে ব্যর্থ বুদ্ধিজীবি গন।

সুজন বিশ্বাস মূলত শদ্ব গবেষণার উপর দীর্ঘদিন কাজ করছে । তার ভাষায় বাংলাদেশের সকল অপশক্তি রুখে দিয়ে স্বদেশপ্রেমের আদলে সকল মানুষকে ধাবিত করা সম্ভব ।তার গবেষনায় শতভাগ সঠিক দাবি করে ।তিনি এখন শুধু প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছে । বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে বিশ্বমানতার ঔষধে রূপান্তরিত করতে চায় সুজন বিশ্বাস । ৭২ ঘন্টা বাইসাইকেল চালিয়ে সুজন গ্রাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে এসে পৌঁছান।

প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গেলে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ এর প্রক্রিয়া হিসেবে তাঁকে দেখানো হয় নানা পথ ও দিক নির্দেশনা। যাহা তাহার পক্ষে ছিল খুবই দুঃসাধ্য ব্যাপার। প্রধানমন্ত্রী সাথে সাক্ষাতের আশায় সুজন রাস্তায় কাটিয়ে দেন ৬-৭ দিন।প্রতীকী পোশাকে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রেসক্লাব সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভবনের সামনে।
সেই থেকে আজ পর্যন্ত নিজের বাড়ী ফিরে যান নাই সুজন।বর্তমানে তিনি নবজাগরণ মূলক কবিতা,গান নাট্যনির্মাতা ও সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন । তাছাড়া তিনি বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়নের তথ্য-চিত্র নির্মান কাজের পরিচালনা করছে । এদিকে নিজের জীবনসঙ্গী ও তাঁকে ফেলে চলে গেছেন এমন বাস্তবতায়।প্রায় পাঁচ বছর বাড়ী না ফেরা আর সংসার ভাঙ্গার কষ্ট নিয়ে এখনও প্রতিনিয়ত ছুটে চলেন তিনি প্রধান মন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাতের আশায়।জীবনের শেষ ইচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে নিজের দেশপ্রেমের কথাগুলো বলবেন ও নিজের লেখা
প্রভাতী ধ্বনি নামের একটি স্বদেশ প্রেমের বার্তা প্রধানমন্ত্রী কে উপহার দিবেন।

প্রভাতী ধ্বনি সমন্ধে জানতে চাইলে সুজন বলেন, রাষ্ট্রে যে শব্দ বান মারা হয়েছে তা প্রভাতী ধ্বনির মাধ্যমে কাটা সম্ভব। আর এই প্রভাতী ধ্বনিকে আমি শব্দ শক্তিতে রুপান্তর করেছি।

তিনি আরো বলেন,আমি আমাকে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে নিজেকে একজন কবি, নাট্যকার, গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছি।আমি ইতিমধ্যে রাষ্ট্রের মানুষের সম-সাময়িক কিছু অসংগতিপূর্ণ আচরন দূর করতে গড়ে তুলেছি জয়ের ধ্বনি নামের গণ জাগরন মূলক একটি দল। যে দলটি গন জাগরনের জন্য কাজ করবে গ্রামের মানুষের কাছে গিয়ে দেশের ইতিহাস ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সোনার বাংলার জন্য কাজ করার আহবান জানাবে।

আপনি আর কতোদিন সাক্ষাতের জন্য চেষ্টা করবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যতোদিন আমার নেত্রী বেঁচে আছেন, আর যতোদিন আমি বেঁচে আছি ততদিন আমি চেষ্টা চালিয়ে যাবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Bd It Host
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: