সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo দিনাজপুর হাকিমপুর হিলি সীমান্তে বিএসএফ আটক করে দুই শিক্ষার্থীকে Logo না ফেরার দেশে চলে গেলেন লোহাগড়া থানার এস আই রফিকুল ইসলাম Logo নাটোরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থীত নৌকা প্রতিক নিয়ে উমা চৌধুরী জলি বিজয়ী Logo নান্দাইলের’ শেরপুর ইউনিয়ন প্রবাসী ঐক্য পরিষদ’ এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ Logo জয়পুরহাট এক্সক্লুসিভ শো-রুম উদ্বোধন  Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তায় চলছে মাটি ভরাট এর কাজ Logo ইকো’২৪ বছর পেরিয়ে  ২৫ বছর পদার্পণে আলোচনা সভা Logo জয়পুরহাটে অসহায় দরিদ্র নারীদের মাঝে কম্বল বিতরন Logo লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন মহত এর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া  Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জে ওয়ার্ড পর্যায়ে কভিত 19 টিকাদান কর্মসূচী শুরু

খুলনার কয়রায় গাতির ঘেরীয় বেড়ীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত ২ গ্রাম!

মোক্তার হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ / ৯৭ বার পঠিত
আপডেট : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ

৬ ডিসেম্বর সোমবার খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের গাতির ঘেরী ও হরিয়ারপুর গ্রাম বেড়ীবাঁধ ভেঙে আবার ও প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে বেড়ীবাঁধ ভেঙে এলাকায় প্রায় ২০০ শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে জীবন যাপন করছে।
পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলতে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে শাকবাড়িয়া নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪/থেকে ৫ ফূট পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদীতে প্রচন্ড স্রোতের প্রভাবে পানি বৃদ্ধি পেয়ে গত রাতে হরিয়ারপুর লঞ্চ ঘাটের পূর্ব পাশ থেকে ,পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ আবার ও ভেঙে যায়।
উল্লেখ্য এ বছরের ২৬ শে মে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে একি জায়গা থেকে ঘেঙে যায়। এলাকাবাসীর সহায়তায় বাঁধটি বাঁধা সম্ভব হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নিয়োগকৃত ঠিকাদার সঠিক ভাবে বাঁধ নির্মাণ না করার কারণে আবার ও বাঁধ ভেঙে গিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে
।গাতির ঘেরীয় গ্রামের গণেশ গাঈন প্রতিনিধিকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর আমরা ৬ মাস পানি বন্দি ছিলাম।মাস খানেক আগে বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় মনে করছিলাম বিধাতা হয়তো আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদারের গাফলতির কারণে আবার ও বাঁধ ভেঙে আমরা পানিবন্দ
 হয়ে পড়েছি।
উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন,হরিয়ারপুর লঞ্চ ঘাটের পূর্ব পাশে ওয়াপদার কাজটি মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে কালাম নামে এক শ্রমিক সাব কন্ট্যাকটর
কিনে নেন।তারা টিউবে পানি ভরে রিং বাঁধ দেয়
। কিন্তু মাটি দিয়ে স্লোপের কাজ না করে চলে যায়। টিউবের তলায় ছিদ্র থাকায় রিং বাঁধটি ভেঙে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী মশিউর রহমান জানান, বাঁধ ভাঙার দৃশ্য দেখেছি। উক্ত স্হানে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকার মানুষকে পানিবন্দি দুর্দশা অবস্থা থেকে মুক্ত করা যাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস
বলেন,শাকবাড়িয়া,হরিয়ারপুর গ্রাম দুই টি
প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Bd it Host
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: