সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo দিনাজপুর হাকিমপুর হিলি সীমান্তে বিএসএফ আটক করে দুই শিক্ষার্থীকে Logo না ফেরার দেশে চলে গেলেন লোহাগড়া থানার এস আই রফিকুল ইসলাম Logo নাটোরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থীত নৌকা প্রতিক নিয়ে উমা চৌধুরী জলি বিজয়ী Logo নান্দাইলের’ শেরপুর ইউনিয়ন প্রবাসী ঐক্য পরিষদ’ এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ Logo জয়পুরহাট এক্সক্লুসিভ শো-রুম উদ্বোধন  Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তায় চলছে মাটি ভরাট এর কাজ Logo ইকো’২৪ বছর পেরিয়ে  ২৫ বছর পদার্পণে আলোচনা সভা Logo জয়পুরহাটে অসহায় দরিদ্র নারীদের মাঝে কম্বল বিতরন Logo লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন মহত এর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া  Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জে ওয়ার্ড পর্যায়ে কভিত 19 টিকাদান কর্মসূচী শুরু

ইউএনও-চেয়ারম্যানকে বোকা বানিয়ে মেয়ের বিয়ে দিলেন তিনি!

দৈনিক বাংলার আলো ২৪ ডেস্ক / ৬৪ বার পঠিত
আপডেট : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
প্রতীকী ছবি-

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ঈদের আনন্দের মধ্যেই বিয়ের ধুমধামও চলছিল বাড়িটিতে। সব আয়োজন চলছিল নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীটির জন্য। আর তা বাস্তবে ঘটলো গতকাল রবিবার বিয়ের মধ্য দিয়ে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেনে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বাড়িতে পাঠালে বিয়ের আয়োজন নেই বলে জানায় পরিবার। কিন্তু এর ঘণ্টাখানেক পর বর এসে তড়িঘড়ি করে প্রকাশ্যে কনেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। ময়মনসিংহের নান্দাইলের রসুলপুর এলাকার মনাকসা গ্রামে এ বাল্যবিয়ের ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের মো. রতন মিয়ার মেয়ে উপজেলা সদরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ে। তার সাথে বিয়ে ঠিক হয় আচারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের মো. জুয়েল মিয়ার ছেলে রিয়াজের (২০) সঙ্গে। গতকাল সকাল থেকেই ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন চললে বাল্যবিয়ের কারণে এলাকা থেকে খবর যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল মনসুরের কাছে। তিনি ঘটনা অবহিত হয়ে নান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হককে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন।

জানা যায়, চেয়ারম্যান বাড়িতে যাওয়ার পরই বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মেয়ের বাবা। তিনি চেয়ারম্যানকে জানান চাচাতো ভাইয়ের নববধূ আনায় সকলেই আনন্দ ফুর্তি করছিল। নিজের মেয়ের বিয়ের খবর ভিক্তিহীন। এ সময় সেখান থেকেই মেয়ের বাবাকে ফোনে কথাও বলানো হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে। তিনি মেয়ের বাবার কথায় বিশ্বাস করে বিয়ে বন্ধের তৎপরতা বন্ধ করে দেন। এর ঘণ্টাখানেক পরেই একটি মোটরসাইকেলযোগে বর আসেন বিয়ে বাড়িতে। আর তখনই খাওয়া-ধাওয়া ছাড়াই দ্রুত কনেকে নিয়ে চম্পট দেন নিজ বাড়িতে।

মেয়ের বাবা রতন মিয়া জানান, বিয়ে নয় মেয়েকে দেখতে আসছিল বর পক্ষের লোকজন। তাহলে উঠিয়ে নিয়ে গেল কেন জানতে চাইলে রতন মিয়া বলেন, ‘আমার শ্বশুড় বাড়ির দিকের আত্মীয় হয় ছেলেটি (বর)। তাদের সাথে ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে গেছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘এভাবে চুরি করে যদি বিয়ে দেয় তাহলে কি করণীয় আছে। তারপরও কেন চেয়ারম্যান যাওয়ার পর বিয়েটা হলো তা খোঁজ করে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Bd it Host
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: