সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo দিনাজপুর হাকিমপুর হিলি সীমান্তে বিএসএফ আটক করে দুই শিক্ষার্থীকে Logo না ফেরার দেশে চলে গেলেন লোহাগড়া থানার এস আই রফিকুল ইসলাম Logo নাটোরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থীত নৌকা প্রতিক নিয়ে উমা চৌধুরী জলি বিজয়ী Logo নান্দাইলের’ শেরপুর ইউনিয়ন প্রবাসী ঐক্য পরিষদ’ এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ Logo জয়পুরহাট এক্সক্লুসিভ শো-রুম উদ্বোধন  Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তায় চলছে মাটি ভরাট এর কাজ Logo ইকো’২৪ বছর পেরিয়ে  ২৫ বছর পদার্পণে আলোচনা সভা Logo জয়পুরহাটে অসহায় দরিদ্র নারীদের মাঝে কম্বল বিতরন Logo লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন মহত এর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া  Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জে ওয়ার্ড পর্যায়ে কভিত 19 টিকাদান কর্মসূচী শুরু

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৩নং সগুনা ইউনিয়ন এর হ্যাভিওয়েট নেতা ভি,পি রনি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ১৮৬ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭:০৯ অপরাহ্ণ

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৩নং সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে ১৪ জন প্রার্থীই মরিয়া হয়ে উঠেছে। আজ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় অফিস সুত্রে যানা গেছে ৩নং সগুনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে নাম ঘোষণা করেন নজরুল ইসলাম চৌধুরী।নজরুল ইসলাম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। জাতিয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। তার আত্নীয় স্বজন সহ বেশিরভাগলো জনই আজও বিএনপিকে সমর্থন করে বলে বিভিন্ন সুত্রমতে জানাগেছে। একাধিক সুত্রমতে আরো নিশ্চিত ভাবে জানা গেছে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের পরিবার পাকিস্তানের সেনাবাহিনীদের নানা ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। আরো জানা গেছে বর্তমান ৩ সগুনা ইউনিয়ন এর আওয়ামীলীগের সভাপতির পিতা যুদ্ধের সময় রাজাকারদের সরাসরি বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। তাদের দ্বারা ততকালীন সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৩নং সগুনা শাখার অনেক নেতাই নির্যাতিত হয়েছিলেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামীলীগের একজন প্রবীন নেতা উক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ” বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের এমনভাবেই পদে পদে হারিয়ে দিচ্ছে একশ্রেনীর অরাজনৈতিক মদদদাতারা” যোগ্য নেতা ও নেতৃত্বের মুল্যায়ন না করা হলে দিন দিন বিদ্রোহের সংখ্যা বেড়েই চলবে।

সগুনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শত শত ত্যাগী এবং পদে পদবি থেকে বঞ্চিত নেতাদের অনুসন্ধানে যানা গেছে বর্তমানে ৩নং সগুনা ইউনিয়ন এর ১৪/১৫ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর মধ্যে জনগণের গ্রহন যোগ্য চেয়ারম্যান হিসাবে ৮০/৯০ দশকের রাজপথ কাঁপানো বিপ্লবী ছাত্র নেতা মোঃ রবিউল করিম রনি কেই দেখতে চায়। সাধারণ জনগণ বলেন, ভি,পি,রনি একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন।তিনি ৯০ দেশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সকলের সঙ্গে স্লোগান মাস্টারের ভুমিকা পালন করেছেন।

১৯৯১ পরবর্তী সময়ে বার বার জেল-জুলুম ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন।ততকালীন বিএনপি সরকারের সন্ত্রাসীদের হাতে বার বার লাঞ্চিত হয়েছেন এবং একাধিক মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন তিনি।তিনি জীবনে কখনোই দুর্নীর সঙ্গে আপোষ করেন নাই। তিনি সকল ধরনের নেতাকে ঘৃনা করেন।তিনি ৩নং সগুনা ইউনিয়ন কে মডেল ও ডিজিটাল হিসেবে গড়ে তুলতে সবসময়ই স্বপ্ন দেখেন।

১৯৯৬ পরবর্তী সময়ে ততকালীন বিএনপির উদ্যোগে গঠিত হাওয়া ভবনের নির্দেশে ক্রসফায়ারের আসামী ছিলেন।জীবন বাঁচাতে বিভিন্ন এলাকাজুড়ে এমন কি জঙ্গলের মাঝেও পালিয়ে নিজের জীবন রক্ষা করেছেন।১৯৯৬ সনে খালেদার একতরফা প্রহসন মুলক নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে ততকালীন পুলিশের গুলিতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছিলেন। তবুও তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা থেকে পিছিয়ে যাননি।শুধু তাই নয় ততকালীন সময়ে বিএনপির নেতা কর্মীরা রাতের আঁধারে তার পুকুরের লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ তুলে নেয়, জমির পাকা ধান কেটে নেয়।পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।সেনাবাহিনীর ক্লিনহার্টের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা ২৪ ঘন্টা তার নিজ বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।সেদিন হয়ত মোঃ রবিউল করিম রনি কে গ্রেফতার করতে পারলেই ততকালীন খুনি তারেকের সৃষ্টি করা হাওয়া ভবনের নির্দেশেই ক্রসফারে নিভে যেত একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান বিপ্লবী ছাত্র নেতা রাজপথের অকুতোভয় বঙ্গবন্ধুর সৈনিকের জীবন প্রদীপ।নিমিষেই নিঃশ্বাস হয়ে যেত একটি আওয়ামী পরিবার।

সাবেক ভি,পি, মোঃ রবিউল করিম রনি বলেন, ” আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, আমি বঙ্গবন্ধুর একজন একনিষ্ঠ সৈনিক, আমি মমতাময়ী মাতা সফল রাষ্ট্র নায়ক দেশদরদী জননী গনতন্ত্রের মানসকন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আইকন জননেত্রী শেখ হাসিনার সিপাহসালার হয়েই আমি আমার বাকী জীবনটা অতিবাহিত করতে চাই। আমাকে তাড়াশ উপজেলা আওয়ামিলীগ কোন পদে না রাখলেও আমার বিন্দু মাত্র দুঃখ নেই, কারন আমি পদের জন্য কোনদিনই লোভী ছিলাম না এবং ভবিষ্যতেও কোন ধরনের লোভ করব না,ইনশাআল্লাহ। তবুও আমার নিজের জীবন বাজী রেখে রাজপথে থেকে আমার প্রানের চেয়েও প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন সামান্য কর্মী হিসাবে কাজ করে যেতে চাই। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র করা হলে প্রয়োজনে সত্যি সত্যিই নিজের জীবন উৎসর্গ করে দেব, তবুও আমার মমতাময়ী মাতা সফল রাষ্ট্র নায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য জীবন বাজী রেখে রাজপথে থেকে কাজ করেই যাব ইনশাআল্লাহ। এটা আমার প্রতিশ্রুতি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Bd it Host
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: