সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo সিরাজগঞ্জে শাহজাদপুর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে চুল কর্তন স্বপদে বহাল শিক্ষক ফারহানা Logo সিরাজগঞ্জে উল্লাপাড়ায় ভোটের তথ্য সংগ্রহে গিয়ে ছাত্রলীগের মারধরে আহত দুই সাংবাদিক  Logo দূর্নীতি ও জালিয়াতির কারিগর আব্বাস বাহিনীর ষড়যন্ত্রে বিধ্বস্ত সাংবাদিক পরিবার Logo খালেদা জিয়ার বিদেশে সুচিকিৎসা-মুক্তি ও দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির লিফলেট বিতরণ Logo সিরাজগঞ্জে শাহজাদপুরে নব নির্বাচিত এমপি প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতাকে ফুলেল শুভেচছা   Logo সিরাজগঞ্জে আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো আঞ্চলিক ইজতেমা Logo সিরাজগঞ্জে কেক কাটার মধ্যদিয়ে শেষ হলো নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী  Logo খানসামায় পুকরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু  Logo শাহজাদপুরে ছেলের লাশ টয়লেটের ট্যাংকিতে পুঁতে ভোট প্রার্থনায় পিতা-মাতা Logo ৭নং লালোর ইউপি নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার।

অক্সিজেনের জন্য ছেলে ছুটছে”করোনা ইউনিটের সামনে মৃত্যু হলেন মায়ের“

দৈনিক বাংলার আলো ২৪ ডেস্ক / ৬৩ বার পঠিত
আপডেট : বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রানু বেগমের স্বজনদের আহাজারি

বরিশাল জেলা প্রতিনিধিঃ

বরিশাল নগরীর পলাশপুর গ্রামের বাসিন্দা রানু বেগমের তীব্র শ্বাসকষ্ট থাকায় মঙ্গলবার দুপুর দুই টায় তাকে নিয়ে আসা হয় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। শ্বাসকষ্ট তীব্রতর হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত অক্সিজেন দেওয়ার সুপারিশ করেন।

 রানু বেগেমের ছেলে আল আমিন বলেন, সময়মতো একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার পেলে হয়তো আমার মা বেঁচে থাকতেন করোনা ওয়ার্ডের মাস্টার, নার্সদের খাম খেয়ালী এবং টাকার লোভের কারণে আমার মাকে চিরতরে হারিয়ে ফেললাম।

মৃতের স্বজনরা জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে রানু বেগম করোনা উপসর্গ নিয়ে বাসায় চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা অক্সিজেন দেওয়ার জন্য বললে তাকে করোনা ইউনিটে নেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন জনের কাছে অক্সিজেনের জন্য গেলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। উল্টো রানু বেগমের ছেলের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন ওয়ার্ড মাস্টার মশিউর রহমান।  

মৃতের স্বজন মাইনুল বলেন, তার চাচির এতদিন জ্বর থাকলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। বেলা ২টার দিকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে এলে সেখান থেকে করোনা ইউনিটে ভর্তি করাতে বলা হয়। অক্সিজেন সিলিন্ডার চাইলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবহেলা আর দুর্ব্যবহার করেছে।হাসপাতালের ওয়ার্ডা মাস্টারের ৫০০ টাকা না দেওয়ায় তার চাচির  সিলিন্ডার দেননি এ কারণেই তার চাচি মৃত্যু হয়েছেন বলে জানান মাইনুল।

টাকার চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে করোনা ওয়ার্ডের মাস্টার মশিউর রহমান বলেন, আমি কনো রোগীরদের স্বজনকে গালিগালাজ করিনি কনো ধরনের টাকাও দাবি করিনি এছাড়া অক্সিজেন দেওয়ার এখতিয়ার আমর না। 

করোনা ওয়ার্ডের ইনচার্জ ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন বলেন, করোনা ইউনিট থেকে অক্সিজেন দেওয়া হবে না এমনটা হওয়ার কথা নয়। কী ঘটেছিল, আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি অভিযোগের সত্যতা মিললে অবশ্যই জরিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ জাতীয় আরও খবর পড়ুন
Theme Customized By Bd It Host
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: